রাউটার কি এবং কিভাবে কাজ করে?

দৈনন্দিন জীবনে আমরা সবাই ইন্টারনেট ব্যাবহার করে থাকি । আমরা প্রায় প্রত্তেকেই ব্রডব্যান্ড এর নাম শুনে থাকি এবং ব্যাবহার করে থাকি । আর আমাদের এই ব্রডব্যান্ড সিস্টেম এর ব্যাকবোন হল রাউটার । এখন আমরা ভাবতে পারি আমাদের ঘরে যে রাউটার ব্যাবহার করি তার কথা । এগুলো সাধারণ রাউটার । আজ যে রাউটার নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি এটি মুলত আইএসপি বা ইন্টারনেট প্রোভাইডাররা ব্যবহার করে তাদের পুরো নেটওয়ার্কিং সিস্টেমকে চলমান রাখার জন্য ।

রাউটার কি?

রাউটার মুলত চুজ দ্যা বেস্ট পাথ । যার অর্থ হল সবথেকে উপযুক্ত পথ বেছে নেয়া । রাউটার এই পথ নির্বাচন করে থাকে ডাটা কোন পথ দিয়ে সোর্ছ থেকে ডেস্টিনেশন এ যাবে । আর এ পথ নির্ধারন হয় মেট্রিক এর উপর ভিত্তি করে । এখন আমরা জেনে নিই মেট্রিক গুলো কি কিঃ-

  • Hop count: ডাটা কয়টি রাউটার অতিক্রম করল তার সংখ্যা
  • Delay: ডাটা পাঠাতে কত সময় লাগবে
  • Bandwidth: কি পরিমান ডাটা পরিচালনা করতে পারবে
  • Load: ট্র্যাফিক লিংক এর পরিপূর্ন ব্যাবহার
  • Reliability: লিংক নষ্ট হবার পর ব্যাকআপ

রাউটিং এর প্রকারভেদঃ

রাউটিং মুলত দুই প্রকার ১। স্ট্যাটিক রাউটিং ২। ডায়নামিক রাউটিং

স্ট্যাটিক রাউটিংঃ

স্ট্যাটিক রাউটিং একটি রাউটিং মেকানিজম যা ইন্টারনেট প্রোটোকল (আইপি) দ্বারা পরিচালিত হয় এবং এটি ম্যানুয়ালি কনফিগার করা রাউটিং টেবিলের উপর নির্ভর করে। যেখানে রাউটিং ইনফরমেশন গুলো প্রদান করে নেটওয়ার্ক এডমিনিস্ট্রেটর। তিন প্রকার স্ট্যাটিক রাউটিং আছে ১। Static routing to a specific network ২। Summary static routing ৩। Default static routing

ডায়নামিক রাউটিং

এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনও রাউটার কোনও সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগ সার্কিটের বর্তমান অবস্থার উপর ভিত্তি করে কোনও আলাদা রুট বা প্রদত্ত গন্তব্যের মাধ্যমে ডেটা ফরোয়ার্ড করতে পারে। এ প্রকিয়ায় সময়ের সাথে সাথে আপনা আপনি রাউটিং টেবিলের পরিবর্তন ঘটে। ফলে ম্যানুয়ালি কিছু করার প্রয়োজন হয় না। ডায়নামিক রাউটিং দুই প্রকার ১। IGP (Interior Gateway Protocol)

  • Open Shortest Path First (OSPF)
  • Enhanced Interior Gateway Routing Protocol (EIGRP)
  • Intermediate System to Intermediate System (IS-IS)
  • Routing Information Protocol (RIP)

2. EGP (Exterior Gateway Protocol)

  • Broader Gateway Protocol (BGP)

Interior Gateway Protocol(IGP)কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়

১। Distance vector routing protocol

  • RIP( Routing Information Protocol)
  • EIGRP (Enhanced Interior Gateway Routing Protocol)

২। Link state routing protocol

  • OSPF (Open Shortest Path First)
  • Intermediate System to Intermediate System (IS-IS)

Distance vector routing protocol

  • এটি মুলত HopCount metric ব্যাবহার করে
  • এটি bellman-ford এলগরিদম ব্যাবহার করে
  • এর জন্য অল্প ম্যানেজমেন্ট প্রয়োজন হয়
  • ছোট অরগানাইজেশন গুলো এই প্রটোকল ব্যাবহার করে
  • RIP হল একটি পূর্ন Distance vector routing protocol

Link state routing protocol

  • এটি অনেকগুলো ম্যাট্রিক একসাথে ব্যাবহার করে
  • এটি Dijkstra এলগরিদম ব্যাবহার করে
  • এর জন্য বড় ম্যানেজমেন্ট প্রয়োজন হয়
  • বড় অর্গানাইজেশন গুলো এই রাউটিং প্রটোকল ব্যাবহার করে
  • OSPF হল একটি পূর্ন Link state routing protocol

উপরে আলোচিত রাউটিং গুলো একনজরে দেখা যাক

রাউটার কিভাবে কাজ করে?

একটি রাউটার তার পথ নির্বাচন করার সময় কোন পথটি সবছেয়ে উপযুক্ত তা নির্ধারন করে উপরে বর্নিত ম্যাট্রিক এর উপর ভিত্তি করে । ডাটা গুলো পরিচালিত হয় উপরে বর্নিত রাউটিং প্রটোকল এর উপর ভিত্তি করে সোর্ছ থেকে ডেস্টিনেশনে । আমাদের আইএসপি কিংবা বড় অর্গানাইজেশন গুলো তাদের সংস্থার পরিধির উপর ভিত্তি করে রাউটিং প্রটোকল গুলো ব্যাবহার করে ।

Nazmul Karim Nipun

I am a Network Engineer. I love to share what I have learned. That is why I am here.
| Follow me on Facebook

Leave a Reply