বিষাক্ত পাতাবাহার

জীবনকে সজীব করে তুলতে সবুজের সংস্পর্শে থাকতে হয়।তাই অনেকেই বারান্দায় / জায়গা থাকলে ছোট পরিসরে বিভিন্ন ধরনের গাছ- পাতাবাহার, মানি প্ল্যান্ট, বাহারী গাছ লাগায়। নিজের নান্দনিক রুচির প্রকাশ ঘটাতে ঘরের কোণে,ব্যালকনিতে,ড্রয়িং রুমে গাছগুলো রাখে। বিষাক্ত পাতাবাহার নিয়ে উদ্ভিদ বিশারদরা জানিয়েছেন, এসব পাতাবাহার গাছের মধ্যে এমন অনেক গাছ আছে যা বিষাক্ত। এসব গাছের সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা,পোষা প্রানীরাও।কোনো কোনো ক্ষেত্রে মৃত্যু কারণ-ও হচ্ছে বাহারী গাছগুলো।

ছবিঃতীরমাথা গাছ(সংগৃহীত)

তীরমাথা গাছ
এই গাছের সংস্পর্শে থাকলে শিশু ও পোষা প্রাণীর গলা ও মাথাব্যথা এবং শ্বসনতন্ত্রে সমস্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া শিশু ও পোষা প্রাণীর পেটেব্যথা ও বমিভাবও দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া বৃদ্ধরাও এই গাছের সংস্পর্শে থাকলে সরাসরি আক্রান্ত হতে পারেন।

ছবিঃমানিপ্ল্যান্ট (সংগৃহীত)

মানিপ্ল্যান্ট
এই পাতার দ্বারা ক্যালাডিয়াম, ডায়ফেনবাসিয়া এই প্রজাতির কারণে যে যে সমস্যা হয় মানি প্ল্যান্ট গাছ দ্বারা শিশু, বিড়াল ও কুকুরের সেই সমস্যা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

ছবিঃ সাপগাছ (সংগৃহীত)


সাপ গাছ
এই গাছটিকে শ্বাশুড়ির জিহ্বা নামেও চেনে অনেকে। এই গাছটি স্বাস্থ্যগতভাবে শিশু এবং পোষা প্রাণীদের জন্য একেবারেই সৌভাগ্য বয়ে আনে না। অন্য গাছগুলোর তুলনায় এই গাছটি কম বিষাক্ত হলেও তা শিশু ও পোষা প্রাণীদের ক্ষতির জন্য যথেষ্ট। গাছের পাতা খাওয়া অথবা দীর্ঘদিনের সংস্পর্শে গলা ব্যথা ও নাসারন্ধ্রের সমস্যা দেখা দেয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই গাছটি আবার দীর্ঘস্থায়ী আমাশয়সহ অন্যান্য পেটের পীড়ার কারণ হয়েও দেখা দেয়।

ছবিঃক্যালডিয়াম (সংগৃহীত)

ক্যালডিয়াম
এই গাছটির পাতায় আছে দীর্ঘস্থায়ী বিষ। আর শিশুরা এ গাছের পাতা মুখে দিলে আক্রান্ত হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী পেটের পীড়ায়। শুধু তাই নয়, ঘরের পোষা প্রাণীদের জন্যও সমান ক্ষতিকর এই গাছটি। দীর্ঘদিন এই গাছের সংস্পর্শে থাকলে এক ধরনের স্থায়ী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়। যার ফলে মুখ, জিহ্বা ও ঠোঁটে জ্বালাপোড়া, গলা ব্যথা, গিলতে সমস্যা এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে।

ছবিঃডেয়ফেনবাসিয়া (সংগৃহীত)

ডায়ফেনবাসিয়া
এই গাছটি সচারাচর’ই দেখা যায় আমাদের আশেপাশে, জেনে অবাক হবেন যে এটিও বিষাক্ত। এর পাতা আপনার শিশু ও আপনাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে।এটি পোষ্য দের জন্যেও খুবই ক্ষতিকর।যুক্তরাষ্ট্রের একটি ৩ বছরের মেয়ে এটি গিলে ফেলে এবং মেয়েটির মৃত্যু ঘটে।এই গাছের পাতায় হাত দিয়ে সেই হাত চোখে দিলে অন্ধত্বের আশাঙ্খা থাকে।

লেখাঃ ফাহমিদা তাজিন লাবণ্য
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

Rakibul Hasan Rubbi

I am Rubbi from Dhaka, as a freelence content writer I try my level best- Interested field is on Recent issue seem like National & International issue, Geo-politics and any other GK what things are needed .
| Follow me on Facebook

Leave a Reply